ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র রজনী শবে বরাত পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। এ রাতে বিশেষ ইবাদত, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য কামনা করছেন।
লাইলাতুল বরাত পালন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এরপর শবে বরাতের রাতের মর্যাদা ও করণীয় তুলে ধরে ইমাম-খতিবরা মসজিদগুলোতে বয়ান করতে থাকেন। বয়ানের পর মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ করেন আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মুসল্লিরা নিজেদের মতো করে ইবাদতে মশগুল হচ্ছেন। মসজিদগুলোও সারারাত খোলা থাকবে।
মাগরিবের নামাজের পর ওয়াজ মাহফিলের মধ্য দিয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র লাইলাতুল বরাতের অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল বরাতের ফজিলত, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওয়াজ করেন ঢাকার বাদামতলী শাহজাদা লেন জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী।
রাত পৌনে ৮টার দিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, নজরুল ইসলাম কাসেমী বয়ান শেষে মোনাজাত করছেন। মোনাজাতে শত শত মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।
মুসল্লিদের আনাগোনায় বায়তুল মোকাররমসহ পাড়া মহল্লার মসজিদগুলোতে ভিক্ষুকদের ভিড় দেখা যায়।
মসজিদগুলোতে বড়দের সঙ্গে ছোট ছোট শিশুদেরও পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে আসতে দেখা গেছে।
ব্যক্তিগত নফল ইবাদত ও জিকির আসগারের জন্য বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ সারারাত মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়েছে। ফজরের নামাযের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শবে বরাতের অনুষ্ঠানমালা সমাপ্ত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে এমন আলোচনা সভা, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।












